লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় মো. হানিফ (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিবেশী আব্দুল বারেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে নিহতের পরিবার।
রোববার (৩১ মে) সকালে উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের পূর্ব চরপাতা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হানিফ ওই এলাকার মৃত হাবিব উল্লাহর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী আব্দুল বারেকের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল হানিফের। রোববার সকালে বিরোধপূর্ণ জমি থেকে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে আব্দুল বারেক ক্ষিপ্ত হয়ে হানিফকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারেন। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয়রা হানিফকে উদ্ধার করে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাইফুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে আনার আগেই হানিফের মৃত্যু হয়েছে।
লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক বৃদ্ধকে মারধরের ঘটনায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযুক্ত আব্দুল বারেক ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
রোববার (৩১ মে) সকালে উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের পূর্ব চরপাতা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হানিফ ওই এলাকার মৃত হাবিব উল্লাহর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী আব্দুল বারেকের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল হানিফের। রোববার সকালে বিরোধপূর্ণ জমি থেকে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে আব্দুল বারেক ক্ষিপ্ত হয়ে হানিফকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারেন। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয়রা হানিফকে উদ্ধার করে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাইফুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে আনার আগেই হানিফের মৃত্যু হয়েছে।
লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক বৃদ্ধকে মারধরের ঘটনায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযুক্ত আব্দুল বারেক ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক